দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নোট বই ও গাইড বই নির্ভরতা বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় নোট বই বা গাইড বই থাকুক, এটা সরকার চায় না। গাইড বই থেকে প্রশ্ন করা কিংবা নির্দিষ্ট কোম্পানির বই বিক্রিতে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও সহ্য করা হবে না।
আজ ৮ মে শুক্রবার বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সমাজ জাগরণে প্রকাশক ও বিক্রেতাদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সমিতির নেতারা প্রকাশনা খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমন এক পর্যায়ে নেওয়া হবে, যেখানে গাইড বই বা নোট বইয়ের প্রয়োজনই থাকবে না। তবে মানসম্মত সহায়ক বই থাকতে পারে। অভিযোগ রয়েছে অনেক শিক্ষক গাইড বই থেকে প্রশ্ন করেন এবং টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গাইড বই বিক্রি করেন। এই ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট দেওয়ার সংস্কৃতি নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে কোনো ধরনের অভ্যর্থনা আয়োজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, সরকারের শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমে অংশ হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেবে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি।



