মোহাম্মদ আব্বাসের বলে কভার অঞ্চল দিয়ে চার মেরে ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি পূরণ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শতক ছুঁয়ে বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন টাইগার অধিনায়ক। উদযাপন দ্রুতই পরিণত হয় বিদায়ে। পরের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান। তার আগে মুমিনুল হককে সঙ্গী করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েছেন। ২৬তম হাফ সেঞ্চুরি তুলেছেন মুমিনুল। দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ব্যাটিংয়ে আধিপত্য দেখাচ্ছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার মাঠে গড়ায় ডাচ বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। প্রথম দিনের চা বিরতির আগে ৩ উইকেটে ২০১ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক ১৪০ বলে ৬৪ ও মুশফিকুর রহিম রানের খাতা না খুলে অপরাজিত আছেন।
ব্যাটে নেমে পাকিস্তানি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাসের বল সামলানো দিনের শুরুতে ছিল কঠিন। সাদমান ইসলামকে খানিকটা সাবলীল দেখা গেলেও মাহমুদুল হাসান জয় ছিলেন নড়বড়ে। দলীয় ১৮ রানে জয় আউট হয়ে ফিরে যান। শাহিন আফ্রিদির খাটো লেন্থের আউটসুইং বল অফ স্টাম্পের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছিল। মনোসংযোগের ঘাটতি থাকায় অলস ভঙিতে ব্যাট চালানোর মাশুল দেন জয়। ব্যাটের কোনায় হালকা স্পর্শ লেগে বল যায় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে। ৮ রান করেন।
৩১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একাদশতম ওভারে বল হাতে নিয়ে প্রথম ডেলিভারিতেই ১৩ রান করা সাদমানের উইকেট তুলে নেন হাসান আলী। ওভার দ্য উইকেট থেকে করা খাটো লেন্থের বলটি মিডল স্টাম্পে পিচ করে সামান্য পিছলে অফ স্টাম্পের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছিল। সাদমান ঠিকঠাক খেলতে না পারায় তার ব্যাটের কানায় লেগে বল দ্বিতীয় স্লিপে থাকা সালমান আলি আগার হাতে জমা পড়ে।
সেখান থেকে ম্যাচের মোড় বাংলাদেশের দিকে ঘুরিয়ে নেন মুমিনুল-শান্ত জুটি। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ২৫৭ বলে ১৭০ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ২০১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। চা বিরতির মাত্র তিন মিনিট আগে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়ে বিদায় নেন শান্ত। ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রান করেন শান্ত।
এপর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি, হাসান আলি ও মোহাম্মদ আব্বাস।





