২০২৬ সালের এপ্রিলে নির্ধারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বড় কোনো জটিলতা সৃষ্টি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারুফ কামাল খান।
সোমবার (৯ জুন) নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে সংসদ নির্বাচনের কথা বলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। সেটা হবে চৈত্র মাসের শেষ দিকে। ঈদুল ফিতর হবে ১৯ বা ২০ মার্চ। এসএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ মে মাসে। কাজেই নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে খুব সমস্যা হবার কথা নয়।
তবে সময়ের চেয়ে নির্বাচনের মান ও গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এই সাবেক সাংবাদিক ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা। তার ভাষায়, তারিখের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো — একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারা। সেটার ওপর জোর দেওয়া উচিত।
নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে এদেশে নির্বাচনের নামে প্রহসন চালিয়েছে ফ্যাসিস্ট রেজিম। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, সেই তরুণ-তরুণীদের অনেকেই এখনো ভোট দিতে পারেননি। কাজেই সবাই মিলে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দ্বন্দ্ব-সংঘাত নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিয়ে মারুফ কামাল খান আরও বলেন, দ্বন্দ্ব-সংঘাত কোনো সুফল বয়ে আনবে না। বরং সবকিছু অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে তাতে। আমরা গণতন্ত্র চাই। ফ্যাসিবাদের সব ক্লেদ অপসারণ করতে চাই। দেশপ্রেমিক, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও যোগ্য সরকার চাই।
তিনি বলেন, পাশাপাশি একটি দায়িত্বশীল বিরোধী দলও প্রয়োজন। আমরা পেছনে ফিরতে চাই না, সামনে এগোতে চাই। চব্বিশের রক্তদান যেন বৃথা না যায়।






