প্রথম দুই ম্যাচে জয়, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট তাতেই নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি তাতে দাঁড়ায় নিয়মরক্ষার। একাধিক পরিবর্তন ছাড়াই জর্ডানের বিপক্ষে নামে আলবিসেলেস্তেরা। ছিলেন না লিওনেল মেসি, রদ্রিগো ডে পলরা। তাতেও অবশ্য ছন্দে ব্যাঘাত ঘটেনি। ঝলক দেখান জিওভানি লো সেলসো ও লৌতারো মার্টিনেরা। প্রথমার্ধে লিড তুলে নিয়েছে ২-০ গোলে।
ডালাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে জালের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। লৌতারো মার্টিনেজের কাছ থেকে বল পেয়ে জিওভানি লো সেলসোর দিকে বল বাড়ান জুলিয়ান আলভারেজ। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বুটের বাইরের অংশ দিয়ে দারুণ এক শটে জালে বল পাঠান আলবিসেলেস্তে উইঙ্গার। তবে লাইন্সম্যান আগেই অফসাইডের পতাকা তোলেন। তাতে গোল পাওয়া হয়নি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
১৯ মিনিটে লিড পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের বাইরে লো সেলসোকে ফেলে দিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন মুহান্দ আবু ত্বহা। ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। ফ্রি কিক থেকে বল সরাসরি জালে পাঠান লো সেলসো। আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিশ্বকাপ অভিষেকেই গোলের দেখা পান তিনি।
৩১ মিনিটে লিড দ্বিগুণ হয় আর্জেন্টিনার। জুলিয়ানো সিমিওনের বাড়ানো বলে লৌতারো মার্টিনেজ গোলমুখে শট নেন, তবে বল ফেরত আসে বারে লেগে। ফিরতি বলে ডাইভ দিয়ে হেড করেন মার্কোস সেনেসি। বল প্রতিহত করেন জর্ডান গোলরক্ষক। তবে সেসময় বল ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন এহসান হাদ্দাদ, তা পা গিয়ে লাগে সেনেসি চেহারায়। পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। স্পট কিক থেকে জর্ডান জালে বল পাঠান মার্টিনেজ।
পরেও একাধিক সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। তবে গোলরক্ষকের কল্যানে রক্ষা পায় জর্ডান। শেষ অবধি ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় লিওনেল স্কালোনি শিষ্যরা।



