অজুর শুরুতে রাসুল (সা.) ‘বিসমিল্লাহ’ বলে আল্লাহর নাম স্মরণ করতেন। এরপর কিছু দোয়া পড়তেন।
১. একবার আবু মুসা আশআরি (রা.) নবীজির জন্য অজুর পানি আনলে তিনি অজু করলেন এবং তাঁকে এই দোয়া পড়তে শোনা গেল:
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি জামবি, ওয়া ওয়াসসি লি ফি দারি, ওয়া বারিক লি ফি রিযকি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার ঘরকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিজিকে বরকত দান করুন। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৮০)
৩. অজু শেষে এই দোয়া পড়তেন:
উচ্চারণ: আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহ।
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল।
যে ব্যক্তি অজু শেষে এই দোয়া পড়বে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে—সে যেটি দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস:: ২৩৪)
৪. এরপর তিনি পড়তেন:
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাজ আলনি মিনাত-তাওয়াবিনা ওয়াজ আলনি মিনাল-মুতাত্বাহহিরিন।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৫৫)
৫. পাশাপাশি তিনি এই দোয়াও পাঠ করতেন:
উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, সব প্রশংসা আপনারই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই ফিরে আসি। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৮১)
অজু কেবল শারীরিক পরিচ্ছন্নতা নয়, এটি আত্মিক পবিত্রতারও প্রধান মাধ্যম। সুন্নাহ মেনে অজু করার ক্ষেত্রে এই হাদিসগুলোই হতে পারে প্রধান আলোকবর্তিকা।



