কারখানা চত্বরে একটি গুদামের নির্মাণকাজ চলছে। পাশেই আরেকটি উৎপাদন ইউনিটের কাজ শুরু হবে। আর মাঝখানে থাকা একটি পুকুরের খনন চলছে। এখানে মাছ চাষ হবে। সব মিলিয়ে কারখানাটিতে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন গ্রুপটির কর্মকর্তারা।
কারখানার প্রোডাকশন ম্যানেজার রাজীব কবিরাজ বললেন, কারখানার কর্মীরা ভর্তুকি মূল্য ৮ টাকায় দুপুরের খাবার খেতে পারেন। যাঁদের বাড়ি অনেক দূরে, তাঁরা মাসে ২০০ টাকায় ডরমিটরিতে থেকে কাজ করতে পারেন। বর্তমানে দেড় শতাধিক কর্মী ডরমিটরিতে থাকেন।
পরে শ্যামপুরে রাজশাহী পাটকলে গিয়ে দেখা যায়, একটি কারখানা ভবনে জুতা, ছাতা ও তাঁবু উৎপাদন চলছে পুরোদমে। পাশের একটি ভবনের সংস্কারকাজ চলছে। সেখানে সারি সারি মেশিন আমদানি করে রাখা হয়েছে।
১৯৩৯ সালে স্থাপিত এই পাটকলটিও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। ২০২৫ সালের অক্টোবরে মিলটি বিজেএমসি থেকে বুঝে পায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। তারপর ডিসেম্বরে এখানে উৎপাদন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত কারখানাটিতে কাজ করেন ১ হাজার কর্মী। নতুন ইউনিট চালু হলে কর্মসংস্থান গিয়ে দাঁড়াবে ৪ হাজারে, এমনটাই জানালেন কর্মকর্তারা।
কারখানাটির তাঁবুর উৎপাদনে কাজ করেন রাজশাহীর ন্যাশনাল সাইন্স রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজির কলেজের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার। স্বামীর বাড়িতে থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করছেন তিনি।
জানতে চাইলে শারমিন আক্তার বলেন, ঢাকা বা অন্য কোথাও চাকরি করলে হয়তো পড়াশোনা করতে পারতাম না। বাড়িতে থাকার কারণে পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারছি। বাড়তি আয়ের কারণে পরিবারেও সচ্ছলতা ফিরেছে।



