সমঝোতা স্মারকে সইয়ের পর সুইজারল্যান্ড ও কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই দফা আলোচনা হয়। পরবর্তী ধাপের আলোচনা কবে হবে, তা অনিশ্চিত। যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’ ঘোষণা করলেও গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, তেহরানের অনুরোধে একটি চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনায় রাজি হয়েছেন তিনি। তবে ইরানের ভাষ্য, এমন কোনো আবেদন তাদের পক্ষ থেকে করা হয়নি।
যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় রাজি হয়েছে তারা। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল পরিচালনা নিয়ে শনিবার মাসকাটে ওমানের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল তারা। তবে ওমানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকায়, ওই আলোচনা বিফলে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কুইন্সি ইনস্টটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্র্যাফটের গবেষক ট্রিটা পারসি আল–জাজিরাকে বলেন, সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে কোনো পক্ষই বাস্তবতা নিজেদের অনুকূলে নিতে পারবে না। আশা করা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বুঝতে পারবে সমস্যা সমাধানের জন্য সমঝোতার বিকল্প নেই। তখন তারা আবার আলোচনার টেবিলে ফিরবে।



