ওয়াসার মিটার বাক্স: চামচে তুলে আনা পানিতে কিলবিল করছিল মশার লার্ভা

‘আমরা প্যারাসিটামল-নাপা খাইতেই থাকি’

মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠ থেকে প্রায় পৌনে এক কিলোমিটার দূরে সরকারি তিতুমীর কলেজের পাশে রাজউকের যান্ত্রিক ওয়ার্কশপ। ডিএনসিসির কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে সেখানে যান ৬ নম্বর দলের সদস্যরা।

ওয়ার্কশপে ঢুকতেই চোখে পড়ে সারি সারি ভারী যান ও যন্ত্রপাতি। এক্সকাভেটর, বুলডোজার, চেইনডোজার, ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন রাখা হয়েছে সেখানে। একটি এক্সকাভেটরের খনন করা অংশে পানি জমে ছিল। পাশে পড়ে থাকা বড় একটি পুরোনো টায়ারের ভেতরেও পানি জমে ছিল। সেখানে জন্মেছে আগাছা, আর পানিতে ছিল মশা।

ওই জায়গায় মোড়কের ভেতরে বিস্কুট রাখার ওয়ানটাইম একটি পাত্রে পানি জমে ছিল। ওই জমা পানিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ ছাড়া এক্সকাভেটরের ওপর পড়ে থাকা একটি খোলা বোতলেও পানি জমে ছিল। আশপাশে পড়ে ছিল প্লাস্টিকের বাটি, বোতলসহ নানা পাত্র। বৃষ্টি হলে এসব পাত্রে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। জায়গাটিতে দাঁড়াতেই মশা এসে কামড়াচ্ছিল।

ওয়ার্কশপের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাজউকের কর্মী সাদ্দাম হোসেন আনসার ব্যারাকেই থাকেন। সপ্তাহখানেক আগে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। প্রায় ১০ দিন হাসপাতালে থাকার পর আজ সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়িতে গেছেন।

আরেক আনসার সদস্য রুবেল রানা বলেন, সেখানে মশার উৎপাত অনেক বেশি। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা প্যারাসিটামল-নাপা খাইতেই থাকি।’ চার মাস ধরে তিনি সেখানে আছেন। এ সময়ে মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের কাউকে ধোঁয়া দিতে দেখেননি বলেও জানান তিনি।

Scroll to Top