
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর – অসুস্থ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার সকালে হাসপাতালে পৌঁছে তিনি অসুস্থ নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং টুকুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। বিষয়টি বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রপতি হাসপাতালে যাওয়ার সময় টুকুর চিকিৎসার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কেও চিকিৎসকদের কাছ থেকে তথ্য নেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
টুকুর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল্লা আল কায়েসের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে জ্বর, ঠান্ডাজনিত উপসর্গ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
কিছু প্রতিবেদনে তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সর্বশেষ নিশ্চিত তথ্য হিসেবে তাঁর জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টিই সামনে এসেছে। ফলে চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া নির্দিষ্ট রোগনির্ণয়কে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না।
সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাঁকে সিসিইউতে রেখে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত মেডিকেল বুলেটিন প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এস এম/ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু কোথায় ভর্তি আছেন?
তিনি রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
টুকুকে কেন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে?
কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ার পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
টুকু কি সিসিইউতে চিকিৎসাধীন?
হ্যাঁ। একাধিক প্রতিবেদনে তাঁকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার কথা জানানো হয়েছে।
টুকুকে দেখতে কে হাসপাতালে গিয়েছিলেন?
বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।
মির্জা ফখরুল কি এখনও বিএনপির মহাসচিব?
না। তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৬ বিএনপির মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ২১ আগস্ট বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।
