নির্ধারিত আলোচক প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মহিউদ্দীন আল হেলাল বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৫ সালের আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধির কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা দরকার ছিল। তিনি আরও বলেন, দুর্যোগের সময় বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান জরুরি সহায়তা দিলে সেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যয় করা অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ফান্ডে (জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল) নেই। দারিদ্র্য, প্রতিবন্ধিতা, বয়স ইত্যাদির ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের একটি জাতীয় তালিকা থাকা দরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক ও বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সোসাইটির সভাপতি তাহমিদ মালিক আল–হুসাইনি। তিনি বলেন, আট মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা শহরের ১৪ শতাংশ বা ৪৫ হাজার ভবন পুরোপুরি বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দুর্যোগের আগে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম ও এনজিওগুলোর ভূমিকা অনেক বড়। দুর্যোগের আগে স্কুলে বা যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং কমিউনিটিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ থাকা দরকার। ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থপতি, প্রকৌশলী, ভূতত্ত্ববিদ ও বিল্ডারদেরও প্রশিক্ষণ দরকার।



