বালিকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, একসময় তিনিও চামড়ার ব্যবসা করতেন। কিন্তু ট্যানারির মালিকদের কাছে টাকা আটকে গিয়ে লোকসান হওয়ায় ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। তবু তাঁর মতে, বালিকান্দির এই চামড়ার বাজার এখন শুধু ব্যবসা নয়, একটি ঐতিহ্য। তাঁর দাবি, ৪০-৫০ বছর আগে বাজার এত জমজমাট ছিল না, কিন্তু তখন চামড়ার দাম ছিল। এখন মানুষ বেশি, চামড়ার দাম নেই।
স্থানীয় ব্যক্তিদের ভাষ্য, এই একটি রাতের জন্য অনেকে সারা বছর অপেক্ষা করেন। ঈদের দিন সন্ধ্যা নামলেই তাঁরা বাজারে চলে আসেন। কারও কাছে এটি আয়ের সুযোগ, কারও কাছে উৎসব।
বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, কাজের ধরন ও দক্ষতা অনুযায়ী শ্রমিকদের দেড় হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি দেওয়া হয়।



