মেখলা সরকার বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকেরাই নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন থাকেন না। তবে তাঁরা সচেষ্ট হলে বিশ্বমানের শিক্ষার পাশাপাশি দেশীয় মূল্যবোধের চর্চাও সমানভাবে সম্ভব।’
মেখলা সরকারের মতে, একটি শিশুর শিকড় যত শক্তিশালী হবে, ভবিষ্যতে বিদেশে গেলেও তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়বে। কারণ, নিজের অস্তিত্বের ভিত্তি মজবুত থাকলে যেকোনো পরিবেশেই মানিয়ে নেওয়া সহজ হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার মাধ্যমের পাশাপাশি শিশুর বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে তার বেড়ে ওঠার পরিবেশ। বর্তমানে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর সহযোগিতামূলক আবহ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে বেশ সহায়ক। বিশেষ করে নেতৃত্বের চর্চা ও সামাজিক মেলামেশার অবারিত সুযোগ তাদের আত্মিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। যে শিশু ছোটবেলা থেকেই বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হয় ও অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে শিখছে, কর্মক্ষেত্রে ও ব্যক্তিজীবনে তার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। মানসিক এই দৃঢ়তা তাকে ভবিষ্যতের জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।


