ঘটনার বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক নূরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, কলেজ ডরমিটরিতে বসবাসকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য স্থাপিত পানির ফিল্টার দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট ছিল। বিষয়টি তিনি একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে জানান। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে ৯ এপ্রিল শিক্ষক মিলনায়তনে তিনি আবারও বিষয়টি উত্থাপন করলে অধ্যক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
নূরুল হকের দাবি, ‘আমি পানির সমস্যার কথা বলতেই স্যার বলেন, “ফিল্টারই বন্ধ করে দেওয়া হবে।” আমি প্রতিবাদ করলে তিনি আমাকে বেয়াদব বলেন। এরপর চেয়ার থেকে উঠে আমার দিকে তেড়ে আসেন ও ধাক্কা দেন। একপর্যায়ে তিনি আমার সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হন।’
চলতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি কবিরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের পদ শূন্য হয়। ১ মার্চ থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মামুনুর রশিদ। ভিডিওর বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।



