গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে যারা এগিয়ে | চ্যানেল আই অনলাইন

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে যারা এগিয়ে | চ্যানেল আই অনলাইন

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার গোল্ডেন বুট। প্রতি বিশ্বকাপে এই পুরস্কার একজন খেলোয়াড়ের হাতে ওঠে, যিনি মৌসুম জুড়ে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্ব ফুটবলকে বিমোহিত করেন। ২০২৬ সালের গোল্ডেন বুটের সম্ভাব্য জয়ীদের নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও বিশ্লেষণ। কে হবেন এবারের সেরা? কার হাতে উঠবে এই মর্যাদার পুরস্কার?

ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৫১টি ম্যাচে ৬১ গোল করে ইউরোপের সবচেয়ে ধারাবাহিক স্ট্রাইকারদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। ২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন কেইন। ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল এবং ইউরো ফাইনাল পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এপর্যন্ত ১১২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৭৮ গোল করেছেন হ্যারি কেন।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জেতা কাইলিয়ান এমবাপে এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪৪টি ম্যাচে ৪২ গোল করেছেন এই তারকা। ২০১৮ বিশ্বকাপের পর ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়েন তিনি। বড় ম্যাচে পারফর্ম করার ক্ষমতা তাকে আলাদা করেছে সবার থেকে। এখপর্যন্ত ৯৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৫৬ গোল করেছেন এমবাপে।

ফ্রান্সের আরেক ভরসার নাম উসমানে ডেম্বেলে। ২৯ বর্ষী এ ফরোয়ার্ড যে কোনো সময়ের চেয়ে ধারাবাহিক এখন। তার অবদানে ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ মৌসুমে পিএসজি টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লিগ ওয়ান এবং ফ্রেঞ্চ কাপ জিতেছে। এবার ব্যালন ডি’অর জয়ীর নামটিও ডেম্বেলে।

৬ বছর বয়সে ইউরোর ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হয়ে ইতিহাস গড়েন লামিন ইয়ামাল। ২০২৪ ইউরোতে স্পেনকে শিরোপা জিতিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড় হন তিনি। বার্সেলোনার এই বিস্ময়বালক ইতোমধ্যে ফুটবল বিশ্বে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় নাম হিসেবে বিবেচিত। বার্সেলোনার হয়ে চলতি মৌসুমে ৩৮ ম্যাচের ২২টিতে গোল করেছেন তিনি।

রিয়াল মাদ্রিদের বড় ম্যাচের নায়ক ভিনিসিয়াস জুনিয়ার| চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গোল করে দলকে এনে দিয়েছেন শিরোপা। ২০২২ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তার গোলই শিরোপা জেতে রিয়াল। সমালোচনা পেরিয়ে এখন তিনি দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়।

গোল করার জন্যই যেন জন্মেছেন আর্লিং হালান্ড| ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রেকর্ড ভাঙা গোল করেছেন তিনি। ১১১ ম্যাচে ১০০ প্রিমিয়ার লিগ গোল করে ইতিহাসের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান হয়েছেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড।

বায়ার্ন মিউনিখে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানো মাইকেল ওলিস ৩২ ম্যাচে ৩৬ গোলে বুন্দেসলিগা এবং বিদেশে খেলে ফ্রান্সের বর্ষসেরা হয়েছেন গত মৌসুমে। ২৬ বর্ষী ভিতিনহা কোচ লুইস এনরিকের অধীনে পিএসজিতে নিজেকে অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাফিনহা প্রতিভাবান, আকর্ষণীয় ড্রিবলার এবং ফিনিশার হওয়ার পাশাপাশি বল দখলে থাকা অবস্থায় আগ্রাসন ধরে রাখতে পারেন|

এই তারকাদের মধ্যেই একজনের হাতে উঠতে পারে গোল্ডেন বল। বিশ্বকাপের পর্দা নামবে জুলাইয়ের ১৯ তারিখ, সেদিনেই জানা যাবে, কে সেই সৌভাগ্যবান।

Scroll to Top