জেমি বিটনের বেড়ে ওঠা নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে। তিনি মা পলা বিটনের একমাত্র সন্তান। জেমির জন্মের আগেই মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। পরিবারে জেমির সঙ্গে তাঁর নানা-নানিও থাকতেন। পুরো পরিবারে পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হতো।
মা পলা বিটন নতুন গাড়ি বা বিলাসিতা বাদ দিয়ে ছেলের পড়াশোনায় টাকা খরচ করতেন। তিনি ছেলেকে ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা, সাঁতার, দাবা ও প্রাইভেট কোচিংয়ের সুযোগ করে দেন।
কৈশোরে জেমির স্বপ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া। হাইস্কুলে দ্বিগুণ কোর্স করে তিনি হার্ভার্ড, ইয়েল ও প্রিন্সটনসহ ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগেই তিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ‘ক্রিমসন এডুকেশন’ নামের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
হার্ভার্ডে পড়ার সময় জেমি ১৫টি ছাত্র সংগঠনে যোগ দেন। দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় তিনি ওয়াল স্ট্রিটের হেজ ফান্ড ‘টাইগার ম্যানেজমেন্টে’ কাজ শুরু করেন। পড়াশোনা ও ব্যবসার কাজ তিনি একই সঙ্গে চালাতেন।
হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি জেমি নিউইয়র্কে কাজ করতেন। পরে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সহপাঠী প্রিসিলা পুটজারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পরে তাঁরা বিয়ে করেন।
জেমি বর্তমানে ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে ডেটা সায়েন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য পড়াশোনা করছেন।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

