চালকের আসনে থেকেই মিরপুর টেস্টের প্রথমদিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। ছুটছিল বড় সংগ্রহের দিকেই। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। প্রথম সেশনেই তিন উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের পথে হোঁচট খেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
শুক্রবার ডাচ বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটে নেমে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে প্রথমদিনের খেলা শেষ করেছিল স্বাগতিক দল। মুশফিকুর রহিম ৪৮ রানে এবং লিটন দাস ৮ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেন। প্রথম সেশনে ৭৯ রান যোগ করে ৩ ব্যাটারকে হারিয়েছে স্বাগতিক দল। মধ্যাহ্ন বিরতির আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১০৯ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৮০ রান। মুশফিকুর রহিম ১৭৬ বলে ৮ চারে ৭১ রান ও ইবাদত রানের খাতা না খুলে অপরাজিত আছেন।
শনিবার সকালে নিজের ৩৯তম জন্মদিনে টেস্ট মেজাজে খেলে ১১৪ বলে ফিফটির দেখা পান মুশফিক। দিনের ১২তম ওভারে লিটন দাসের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৯৬.৪ ওভারে ৩৩৮ রানে উইকেট বিলিয়ে আসেন লিটন। মোহাম্মাদ আব্বাসের অফ-স্ট্যাম্পের বাইরে কিছুটা শর্ট লেন্থের ডেলিভারিটি পিচে পড়ে একটু ধীর হয়েছিল। লিটন অহেতুক পুল শট খেলার চেষ্টা করেন। মিড অনে টাইমিং মিস করায় বদলি ফিল্ডার আমাদ বাট বাম দিকে সরে গিয়ে সহজেই বল তালুবন্দী করেন। ৩৩ রানে থামেন লিটন।
১০০.৪ ওভারে দলীয় ৩৫৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় টিম টাইগার্স। মোহাম্মাদ আব্বাসের অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের খাটো লেন্থের ডেলিভারিতে মিরাজ কিছুটা ওপরের পাঞ্চ করার চেষ্টা করেন। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ইমাম বল তালুবন্দী করেন। ১০ রান করেন টাইগার সহ-অধিনায়ক।
মুশফিককে খানিক সঙ্গ দিয়ে তাইজুল ব্যক্তিগত ১৭ রানে বিদায় নেন। আব্বাসের অফ-স্টাম্পের ওপর বাউন্সার ডেলিভারিতে তাইজুল হুকের চেষ্টা করলে বল ব্যাটের উপরের কানায় লেগে সরাসরি উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের সহজ ক্যাচে পরিণত হয়। ৩৭৮ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরে ইবাদতকে নিয়ে সেশন শেষ করেন মুশফিক।
এ পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ৪ উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নেন শাহিন আফ্রিদি, হাসান আলি, নোমান আলি।
এর আগে প্রথম দিনে সেঞ্চুরি করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রান করেন অধিনায়ক। ১০ চারে ২০০ বলে ৯১ রান করেন মুমিনুল হক। দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ১৩ এবং মাহমুদুল হাসান জয় ৮ রান করে আউট হন।




