স্থানীয় তেঘরিয়া গ্রামের জামাই রাজু আহাম্মেদ বলেন, তিনি ওই এলাকাতে বিয়ে করেছেন। এবার প্রথম জামাই মেলা উপলক্ষে দাওয়াত পেয়েছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মেলার এক দিন আগেই শ্বশুরবাড়ি এসেছেন। মেলার প্রথম দিন সকালে শ্বশুর ও শাশুড়ি টাকাও দেন, সেই টাকা নিয়ে মেলা থেকে একটি মাছ কিনেছেন। সেখান থেকে শ্বশুর ও শাশুড়ির জন্য কিনেছেন পান-সুপারি। ছোট শ্যালিকার জন্য কিনেছেন মিষ্টান্ন।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, মেলায় প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, মাছসহ বিভিন্ন ধরনের তিন শতাধিক দোকান আছে। আছে চটপটি-ফুচকা থেকে মুখরোচক নানা পদের খাবারের দোকানও। শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ, গ্রাস কার্পসহ বাহারি মাছ। এসব মাছ জামাইয়েরা কিনে শ্বশুরবাড়িতে যান। প্রতিদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।