এনসিপির নেতাদের অনেকে মনে করেন, ইশরাকের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর দ্রুত নির্বাচনের জন্য চাপ তৈরি করতে চাইছে। আর নির্বাচন কমিশন ইশরাকের মামলায় আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করে ‘তড়িঘড়ি’ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে কার্যত বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে।
অন্যদিকে ইশরাকের সমর্থকেরা মনে করেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কারণেই ইশরাকের মেয়র পদে শপথের বিষয়টি আটকে আছে। এ জন্য আন্দোলনে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে স্লোগানসহ নানাভাবে ক্ষোভ দেখানো হচ্ছে।
তবে শুরুতে ইশরাক সমর্থকেরা মাঠে নামলেও পরে বিএনপির নেতৃত্ব এই আন্দোলনকে সমর্থন করে, যার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে গতকাল বুধবার। এদিন ইশরাকের পক্ষে অবস্থান কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকা, এমনকি ঢাকার আশপাশের জেলার দলীয় নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ দেখা গেছে।
এমন পরিস্থিতির একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় গত সোমবার সিলেটে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তৃতায়। তিনি বলেন, ‘আমি আহ্বান করছি, অতি অল্প সময়ের মধ্যে, আজকে-কালকের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে আদালত ঘোষিত ইশরাক হোসেনকে শপথ গ্রহণ করানোর ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় ঢাকায় এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হয়তো আরও বৃহত্তর আন্দোলন করতে হতে পারে।’