অপরূপ শ্রীমঙ্গলকে নেট দুনিয়ায় যারা পরিচিত করিয়ে দিয়েছেন সেসব নতুন প্রজন্মের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সম্মানিত করেছে সাপ্তাহিক চায়ের জনপদ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৭০ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউর রহমান।
চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর প্রধান আয়োজক মো. তোফায়েল আহমেদ পাপ্পু জানান, নির্মাতাদের ইতিবাচক, সৃজনশীল ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত ও সম্মানিত করার লক্ষ্যে ‘চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রথমবারের মতো কনটেন্ট নির্মাতাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডা. নাজিম আল কোরেশী রাফাত, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মহিবুল্লাহ আকন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিদ্দিকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান চৌধুরী তুহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মোছাব্বির আলী মুন্না, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক সৈয়দ আবু জাফর সালাউদ্দিন প্রমুখ।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ‘চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড–২০২৬’-এর জন্য গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রকাশ করা হয়। মনোনীতদের মধ্যে ২ মে বিকেল ৫টা থেকে ৬ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনলাইনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১১ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন।
ন্যাচারাল অ্যান্ড লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন ইউসুফ শাহরিয়ার, মো. আল আমিন ইসলাম, ফাহিম আহমেদ, রোকসানা আফরিন শিমু, তানভীর আহমেদ, শিশির ধর, রাদিয়ান হোসেন ও মো. শহিদ। এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড কমেডি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন দীপ চক্রবর্তী। ফুড অ্যান্ড রেসিপি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন কাজী ফয়সল আহমেদ রিয়াদ এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন মো. ফারহান তানভীর ফাহিম।
পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদানের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা দিতে অতিথি, বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে কাঠাল, জাম, নিম ও কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। আয়োজকদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের প্রশংসা কুড়ায়।
পুরস্কার বিতরণী শেষে অতিথিরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও ইতিবাচক উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও নিয়মিত এ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট ক্রিয়েটররাও এই স্বীকৃতিকে তাদের ভবিষ্যৎ কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।





