কুমিল্লায় পুরোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয়, জড়াচ্ছে সচ্ছল পরিবারের সন্তানও

কুমিল্লায় পুরোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয়, জড়াচ্ছে সচ্ছল পরিবারের সন্তানও

৩২টি ঘটনা পর্যালোচনা করে ১২টি কিশোর গ্যাং দল ও উপদলের নাম পাওয়া গেছে। এগুলো হলো রতন বা র স্কোয়াড, ঈগল, সিবিকে, সিবিকে ডেঞ্জার জোন, সিবিকে জুনিয়র, সিবিকে স্পেশাল, আরডিএক্স, আরজেড-৩৬, সিডিএক্স, কিং স্কোয়াড, রেড ৯৯৯ ও বিজিএম। সিবিকে ও তার তিনটি উল্লিখিত উপদলকে একটি নেটওয়ার্ক হিসেবে ধরলে ৯টি দলের নাম আসছে। এদের সঙ্গে বিভিন্ন ঘটনায় পয়েন্ট রাব্বি, তাজুল ইসলাম সুমন ও নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে চলা দলের তথ্যও পাওয়া গেছে।

রতন ও ঈগলের নাম ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষ এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারির মহড়ায় আসে। ওই বছরের এপ্রিলেও বিভিন্ন দল অস্ত্র নিয়ে শক্তি প্রদর্শন করে। ২৫ এপ্রিল রানীর দিঘির পাড়, তালপুকুরপাড় ও আদালতপাড়ায় মহড়ার পর পুলিশ প্রথমে পাঁচজন, পরে নয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তখন সেনাবাহিনী-র‍্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হন পৃথক নয়জন। মোট সংখ্যা ২৩।

একই বছরের অক্টোবরে ভিক্টোরিয়া কলেজে সংঘর্ষের পর পুলিশ ১৬ এবং তৎকালীন র‍্যাব আটজনকে গ্রেপ্তার করে। দুই ঘটনাকে ঘিরে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৪৭। উভয় ক্ষেত্রেই বড় অভিযানের আগে প্রকাশ্য সহিংসতা বা অস্ত্রের মহড়া হয়েছিল।

২০২৫ সালের আগস্টে হাউজিংয়ের কেটিসিসি মাঠ থেকে কিং স্কোয়াডের ২১ জনকে আটকের সময় পুলিশ জানায়, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একই মাসে আরডিএক্স ও সিডিএক্সের ২৭ জনও মহড়ার প্রস্তুতির অভিযোগে আটক হন।

নামে ‘কিশোর’ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সবাই অপ্রাপ্তবয়স্ক নন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে যৌথ অভিযানে আটক নয়জনের প্রকাশিত বয়স ছিল ১৯ থেকে ৪৭ বছর। একজনকে র‍্যাব অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

Scroll to Top