এ কারণেই অনেকে মিটিং, পার্টি, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, প্রিয় মানুষের সঙ্গে ডেটে গেলে, কিংবা সামাজিক মাধ্যমে বারবার নিজের কথাই বলতে থাকে। কারণ, সত্য হলো সবচেয়ে জোরে কথা বলা মানুষটিই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি মনোযোগ পায়; হোক সে যোগ্য কিংবা অযোগ্য। আর এ জায়গাটাতেই যে কম কথা বলে সে পিছিয়ে পড়ে, নিজেকে উপেক্ষিত মনে হয়।
গুরুত্ব না পাওয়ার আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। সেটা হতে পারে আপনার লিঙ্গ পরিচয়, জাতিগত পরিচয়, স্বভাব, লক্ষ্য বা চিন্তা। এগুলো যদি অন্যদের সঙ্গে না মেলে, তখন তারা আপনাকে গুরুত্ব কম দিতে পারে। যদিও এমনটা হওয়া উচিত নয়, তবু কোথাও কোথাও বাস্তবতা এটাই। আবার এমন অনেক নেতা বা বস আছেন যাঁরা কেবল তাঁর মতের পক্ষের মানুষদেরই গুরুত্ব দেন। টিমের অন্যদের ব্যাপারে তেমন মনোযোগী হন না। তখন মনে হতে পারে, কিছুই করার নেই। কারণ, মানুষ যা দেখতে বা শুনতে চায় না, তা তাদের দেখানো বা শোনানো কঠিন।
ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে থাকে। হয়তো বন্ধু, পরিবার বা প্রিয়জন আপনাকে সত্যিকারে জানার চেষ্টা করছে না, আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে না। তখন নিজের মধ্যে একধরনের অসহায়ত্ব কাজ করে।



