দুর্নীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে সরাসরি যোগাযোগনির্ভর ব্যবস্থার কারণে ঘুষ দিতে হয়। যাঁরা ব্যবসা সহজীকরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের অপ্রয়োজনীয় করে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, চুরির আশঙ্কায় নীতিনির্ধারণ থামিয়ে রাখা যাবে না। চুরি ঠেকানোর দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতকি মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। উন্নয়ন সহযোগীদের বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে।
আইএমএফের কিছু শর্তের সঙ্গে তিনি দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, সব শর্ত দেশের অর্থনীতির জন্য উপযোগী নয়। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার নিয়ে বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) বড় ধরনের সংস্কার আনা হবে। সেখানে রাজনৈতিক নিয়োগ দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসিসহ আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পেশাদার লোক নিয়োগ দেওয়া হবে।



