
আসিয়ান কাপের প্রাথমিক দল নিয়ে গত ২৭ আগস্ট থেকে কোচ থমাস ডুলির অধীনে অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ। ১৩ দিন অনুশীলনের পর ক্যাম্প থেকে ছয় খেলোয়াড় বাদ পড়েছেন। কোচ জানালেন, অনুশীলন ক্যাম্পে খেলোয়াড় সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়ায় আপাতত মূল স্কোয়াডের উপর দৃষ্টি রাখতে এমন সিদ্ধান্ত।
খেলোয়াড়দের নিয়ে থমাস ডুলি জানালেন, ‘এখনই ইন্দোনেশিয়ার জন্য ২৩ জন খেলোয়াড় ঘোষণা করতে হচ্ছে না। ট্রেনিংয়ে প্রায় ৩০ জন খেলোয়াড় ছিল এবং আরও দুজন আসছে। বিষয়টি কিছুটা জনবহুল হয়ে উঠছে, ইন্দোনেশিয়ার আসরে আমাদের স্কোয়াডটির উপরই দৃষ্টি রাখতে চাই।’
‘কেন এখন? কারণ ইন্দোনেশিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে হাতে কেবল দুই বা আড়াই সপ্তাহ বাকি আছে। ট্রায়ালের জন্য আপনার কাছে যত বেশি খেলোয়াড় থাকবে, কিংবা ক্যাম্পে যদি ৩৪ বা ৩২ জন থাকে, চূড়ান্ত ২৩ জনের উপর মনোযোগ রাখা সম্ভব হয় না। তাই ট্রেনিং সেশনে সবাইকে খেলার সুযোগ দিতে হয়। আমাদের মনোযোগ দিতে হবে সেরা খেলোয়াড়দের উপর, যাদের ইন্দোনেশিয়ার জন্য নির্বাচন করব।’
বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ট্রায়ালের সুযোগ করে দেয়া নিয়ে ডুলি বললেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ দিয়েছি। কোন খেলোয়াড়দের বাদ দিতে হবে এবং পরবর্তী সময়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে— এ বিষয়টি জানানো খুবই কঠিন। তবে তাদের সম্পর্কে আমাদের মতামত জানিয়েছি এবং পরেরবার যখন তারা আসবে বা তাদের কী নিয়ে কাজ করা উচিত এবং কেন তাদের ওই সময়ে নির্বাচন করা হবে, সে বিষয়ে তাদের কিছু পরামর্শও দিয়েছি।’
‘ট্রেনিংয়ে সবকিছুই পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে। মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, যেমন— সাদমান আজ ট্রেনিংয়ে ছিল? আমি তার কাছ থেকে কিছু দেখতে পেয়েছি নাকি পাইনি? তাই যদি আমাকে আপনার কথা ভাবতে হয়, আর যদি আপনাকে ট্রেনিংয়ে না দেখে থাকি, তার মানে এমনকিছু করেননি যা স্মরণীয় হয়ে থাকে।’
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…