
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান। একই সঙ্গে ডাকাতি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের এসব নির্দেশ দেন সায়েদুর রহমান।
সভায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে অতিরিক্ত আইজি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি আরও উন্নত করতে হবে।
ডাকাতি মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, মামলা রেকর্ড করার পাশাপাশি দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে এসব মামলায় দণ্ডিত হওয়ার হার বাড়ে। পাশাপাশি অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তির হার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন সায়েদুর রহমান। এ ক্ষেত্রে সমাজে ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আইজিপির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান অতিরিক্ত আইজি।
সভায় সেপ্টেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণের মামলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর, মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম এবং সাজার হার পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পুলিশ সদর দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…


