যেভাবে ঘটল বিস্ফোরণ
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়ির পাশে বালুভর্তি কয়েকটি বস্তার কাছে হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি আক্তার এবং নাতি ফাহিম দগ্ধ হন।
শাহ আলমের ছেলে জামাল হোসেন বলেন, ‘বিস্ফোরণের পর মা, বোন ও ভাগনের শরীরে আগুন ধরে যায়। তাঁরা প্রাণ বাঁচাতে পাশের তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তুলাতলা নদীতীরের এই প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, তাঁদের এলাকায় এর আগে এমন বিস্ফোরণের ঘটনা কখনো ঘটেনি। কীভাবে এবং কেন এই বিস্ফোরণ ঘটল, বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা।
আরেক প্রতিবেশী এনায়েত হোসেন বলেন, ‘কীভাবে আমাদের গ্রামে এ ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। গ্রামের সবাই এখন অজানা আতঙ্কে আছে।’
তবে পুলিশ সুপার এ জেড এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।



