চুক্তির অধিকাংশ এলএনজি আসেনি, উৎস বাড়াচ্ছে সরকার

চুক্তি অনুসারে গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে ছয় কার্গো কেনার কথা রয়েছে।

পেট্রোবাংলার দুজন কর্মকর্তা বলেন, এ বছর সাতটি চুক্তির অধীনে এলএনজি কেনার পরিকল্পনা ছিল। বিএনপি সরকার এসে গানভর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এ চুক্তির অধীনে বছরের বাকি চার মাসে পাঁচটি কার্গো সরবরাহের কথা রয়েছে। এর মধ্যে এ মাসেই আসছে দুটি। এতে করে কিছুটা হলেও ঘাটতি দূর হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্র বলছে, মালয়েশিয়া থেকে আমদানির আলোচনা চলছে। স্বল্প মেয়াদে দুই বছরের জন্য একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এতে আমদানির বাধ্যবাধকতা থাকবে না। চাহিদা ও দাম বুঝে বাংলাদেশ তাদের কাছে এলএনজি চাইবে, তারা মজুত বুঝে সরবরাহ করবে। সমঝোতা হলে একটি সম্পূরক চুক্তি করে এলএনজি আমদানি করা হবে। এ ছাড়া আইএসও ট্যাংকারে করে দেশটি থেকে আমদানির একটি পরিকল্পনা থাকলেও এটি ব্যয়বহুল হতে পারে। তাই যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আরও সময় নিচ্ছে সরকার।

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানিরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে দেশটির সীমান্তে সংঘাত চলমান থাকায় আপাতত এটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এলএনজি করে আনা যায় কি না, সেটি চিন্তা করা হচ্ছে।

Scroll to Top