এবারের বিশ্বকাপে হট-ফেভারিট স্পেন প্রথম ম্যাচেই আটকে গেল। গ্রুপপর্বের শুরুতে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুইয়ে থাকা দলটি গোলশূন্য ড্র করেছে নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে। ৭৪ শতাংশ বলের দখল এবং ২৩টি শট নিয়েও কোন গোলের দেখা পায়নি স্পেনিয়ার্ডরা। আর পুরোটা সময় দুর্দান্ত ডিফেন্স করে জয়ের সমান ড্র তুলেছে কেপ ভার্দে।
পুরো ম্যাচে অসাধারণ সব বল ঠেকিয়ে সবার নজর কেড়েছেন কেপভার্দের ৪০ বর্ষী গোলকিপার ভোজিনহা। স্পেনের নেয়া গোলমুখের ৮টি শটের সবগুলো ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি।
শুরু থেকে বল দখলের লড়াইয়ে অনেক এগিয়ে ছিল স্পেন। বেশকিছু সুযোগ তৈরি করার পর ভিএআরে একটি সুযোগ আসে স্পেনের। ১৫ মিনিটে পেদ্রির আক্রমণ রুখে দেন ভোজিনহা। কেপভার্দে তিনটি আক্রমণ করলেও গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেনি।
৩৬ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে ভালো সুযোগটি পায় স্পেন। মার্ক কুকুরেয়ার হেডে ডি বক্সের বাইরে থেকে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে দেন কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা। অবশ্য রেফারি অফসাইডের বাশি বাজান। তিন মিনিট পর আবারও সুযোগ আসে স্পেনের।
লেফট উইং থেকে হেডে বল দেন কুকুরেয়া, ফেররান তরেস বাঁপায়ে শট নিলেও তা বারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল মিকেল ওয়েরজাবাল হেড করলে কেপ ভার্দের গোলকিপার বারের উপর দিয়ে উঠিয়ে দেন। ৪৫ মিনিটে তরেসের শট আবারও ঠেকিয়ে দেন গোলকিপার। পরে গোলশুন্য বিরতিতে যায় দুদল।
বিরতি থেকে ফিরে স্পেনকে পুরো ৪৫ মিনিট আটকে রাখে কেপভার্দে। ৫৭ মিনিটে সময় ফ্যাবিয়ান রুইজের হেড আটকে দেন কেপভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা। ৭১ মিনিটে স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে মাঠে নামান লামিন ইয়ামাল ও মিকেল মেরিনোকে।
ম্যাচের ৮১ মিনিট পর্যন্ত মোট ২১ আক্রমণ করে স্পেন যার মধ্যে গোলমুখে ছিল ছয়টি। কিন্তু লামিন ইয়ামাল, মিকেল মেরিনো ও দানি ওলমোকে নামিয়েও কোনো লাভ হয়নি স্প্যানিশদের। ৮৭ মিনিটে মাঠে নামেন নিকো উইলিয়ামস।
৮৮ মিনিটে আবারও ভালো আক্রমণ ছিল স্পেনের। তবে ওয়েরজাবালের শট কেপভার্দের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায়। ৯০ মিনিটে আরও একটি আক্রমণ করে কেপভাদে, আদায় করে নেয় কর্নার। পরে ওই গোলশুন্য থেকে ম্যাচ শেষ হয়।




