বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদি হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিস, দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ বা কিডনির রোগের মতো অন্যান্য ক্রনিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে টিকার প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত।
কারা নিউমোকক্কাল টিকা নেবেন এবং একবার নিলেই যথেষ্ট কি না, তা নির্ধারণের আগে ব্যক্তির বয়স, রোগের ধরন, রোগ প্রতিরোধক্ষমতার অবস্থা এবং আগে কোনো নিউমোকক্কাল টিকা নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। চাইলে একই দিনে ফ্লু ও নিউমোকক্কাল টিকা নেওয়া যায়। তবে দুটি টিকা আলাদা সিরিঞ্জে এবং শরীরের আলাদা স্থানে দিতে হয়।
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, ডায়াবেটিক ফুট, বাইপাস রোগীদের টিকাদানের অবস্থা পর্যালোচনা করা উচিত। বিশেষ করে যাঁদের ডায়াবেটিস রয়েছে, বয়স বেশি অথবা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ আছে, তাঁদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোকক্কাল টিকার প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে কখন টিকা দেওয়া হবে, তা রোগীর সংক্রমণ, অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার অবস্থা এবং সার্বিক শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসক এসব বিষয় বিবেচনা করে টিকা দেওয়ার
সময় নির্ধারণ করেন। অনেকের ধারণা, টিকা শুধু শিশুদের জন্য। এই ধারণা
ঠিক নয়। বয়স্ক ব্যক্তি, হৃদ্রোগী ও ভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিউমোকক্কাল টিকা গুরুত্বপূর্ণ।
লেখক: ইউনিট প্রধান, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিভিডি), ঢাকা।


