এখন নাতির ছবির দিকে তাকাতে পারেন না আবুল কালাম। নাতি ও মেয়ে যে ঘরে থাকতেন, সেখানে আর কেউ যান না। ঘরটিতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে নাতি আনাসের শার্ট, প্যান্ট, শখ করে কেনা খেলনা।
আবুল কালাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আত্মীয়ের বাড়ির জন্য নতুন জামাকাপড়, মিষ্টি, বিস্কুটসহ নানা উপহার নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন সবাই। তিনি নিজেই গাড়িতে তুলে দেন। কথা ছিল, সন্ধ্যার আগে আগে সবাই ফিরবেন। কিন্তু সেটি হলো না।
সেদিন অটোরিকশায় ছিলেন আবুল কালামের ছোট মেয়ে কামরুন্নাহার। দুর্ঘটনায় তিনিও আহত হন। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্নাতকের এই শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাস্তার একপাশে গাড়ি চলছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ ট্রাক এসে চাপা দেয়। আমরা ছিটকে পড়ি সড়কের ওপর। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পাই। এরপর চার দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। চিকিৎসা এখনো চলছে।’