রোমান স্পেস টেলিস্কোপের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প বিজ্ঞানী জুলি ম্যাকেনারি জানান, টেলিস্কোপটি বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন সূচনার পথ খুলে দেবে। অজানা এক জগতের দিকে পা বাড়াতে যাওয়ার মতো অনুভূতি এটি। এই অবজারভেটরি মূলত একটি গুপ্তচর স্যাটেলাইট প্রোগ্রামের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ন্যাশনাল রিকনেসান্স কার্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে। নতুন টেলিস্কোপটি দ্রুত মহাকাশ জরিপ করতে পারবে। পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি জরিপ করতে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের এক শতাব্দী সময় লাগলেও রোমান স্পেস টেলিস্কোপ এক মাসে সেই পুরো কাজ করতে পারবে।
রোমান স্পেস টেলিস্কোপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যাকি টাউনসেন্ড জানান, বিজ্ঞানীরা পরবর্তী নব্বই দিন টেলিস্কোপটি চালু রাখতে কাজ করবেন। বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের জন্য তারা প্রস্তুতি নেবেন। শীতকালীন ছুটির আগেই টেলিস্কোপটি প্রথম উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবি পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।