তাসকিনের ব্যাখ্যা, ‘ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝতে পারার ঘাটতিটা একটু বেশি। কারণ স্কিল কিন্তু সবার আছে। আপনারা যাঁরা ক্রিকেট খেলা দেখেন, প্রতিটি ব্যাটসম্যানই কিন্তু প্রমাণ করেছে, তারা ভালো ব্যাট করতে পারে। মাঝে মাঝে আমরা দল হিসেবে দেখবেন, চাপে পড়লে খুব দ্রুত ভেঙে পড়ি। এই জিনিসটাই আমাদের আসলে বের হয়ে আসতে হবে। বড় দল হতে চাইলে যেকোনোভাবে বের হয়ে আসতে হবে। আমি শিওর, এটা নিয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি, কীভাবে দ্রুত ঠিক করা যায়।’
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন তাসকিন। কিন্তু তাঁর সেই সাফল্য কাজে লাগাতে পারেনি ব্যাটসম্যানরা। বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা থাকলেও ব্যাটিংয়ে চাপ সামলানোর ব্যর্থতা যে দলকে বারবার ভোগাচ্ছে, সেটিই আবার সামনে এসেছে এই হারে। এখন শেষ ম্যাচে সেই দুর্বলতা কাটিয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখাই বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

