বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে ফিক্সিং তদন্তের খবর ভিত্তিহীন | চ্যানেল আই অনলাইন

বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে ফিক্সিং তদন্তের খবর ভিত্তিহীন | চ্যানেল আই অনলাইন

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি এসব বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বিসিবি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিবৃতিতে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল আমিনুলের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের তদন্ত করছেন- এমন দাবিকে ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে উল্লেখ করেছে বিসিবি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা দাবি ছড়ানো হচ্ছে যে, বিসিবি সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন কমিটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের তদন্তের আওতায় রয়েছেন। বোর্ড স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও মনগড়া। অ্যালেক্স মার্শাল ব্যক্তিগতভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং লিখিতভাবে নিশ্চিত করেছেন যে এ ধরনের কোনো তদন্তের অস্তিত্ব নেই। মার্শাল বলেন, ‘বিসিবি সভাপতি আমার দ্বারা তদন্তাধীন, এটি সম্পূর্ণ অসত্য ও মনগড়া অভিযোগ।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ ধরনের বানোয়াট তথ্য প্রচার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। এসব কর্মকাণ্ড বিসিবি সভাপতির সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং বোর্ড ও বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বিসিবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম/পেজ এবং এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর থানায় ৩০.০১.২০২৬ তারিখে সাধারণ ডায়েরি নং–৩৮৬৭ দায়ের করা হয়েছে।’

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ‘বোর্ড যেকোনো ধরনের মানহানির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং বিসিবি, এর খেলোয়াড় কিংবা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায় জড়িত ব্যক্তি ও/অথবা প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জনসাধারণ ও গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানাচ্ছে – যাচাই না করা তথ্য প্রচার বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে এবং সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক সূত্রের ওপর নির্ভর করতে।’

Scroll to Top