অভিভাবকদের মতামত হচ্ছে, বাংলাদেশ স্কুলের লেখাপড়ার মান ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও শিক্ষকদের ভালো বেতন ও শিক্ষকদের সুযোগ–সুবিধা ও স্কুলের সার্বিক শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্কুলের আর্থিক অবস্থা ও নতুন জায়গায় স্কুল ভবন তৈরি করা। স্কুলবাসের ব্যবস্থা ও শিক্ষার মান সম্মত করা ও বাংলাদেশের ন্যাশনাল কারিকুলাম ইংলিশ ভার্সন চালু করা। শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি নিয়ে সমস্যা ও স্কুলের ছেলেমেয়েদের আচরণসহ বহু সমস্যায় জর্জরিত। ২০২৩–২৪ সালের স্কুলের অডিট সময়মতো করা হয়নি। বিভিন্ন খাতে অপচয় হচ্ছে। সঠিক জবাবদিহি নেই। স্কুল কমিটিতে যাঁরাই কাজ করেন, সবাই সেচ্ছাসেবী মানুষ নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করে সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে চেষ্টা করেন। সবাই সফল হতে পারেন না। কেউ কেউ সফল হয়ে যান। বিদায়ী কমিটির সবাই হয়তো চেষ্টা করেছে ভালো কিছু করার। বিভিন্ন সুবিধা–অসুবিধা থাকতেই পারে। ১৯৯৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যাঁরা স্কুলের জন্য মাথার ঘাম ঝরিয়ে কাজ করেছেন। তাঁদের জন্য স্যালুট। বাংলাদেশ স্কুলের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি নাজুক ও ভালো শিক্ষক আরও দরকার।
আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কোনো কোন্দল বা আঞ্চলিকতা বা একগুঁয়ে আচরণ না করে টিম ওর্য়াক করতে হবে। স্কুল কমিটি ও বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ দূতাবাস যৌথভাবে স্কুল উন্নয়নে ভূমিকা পালন করতে হবে।
স্কুলের এই অবস্থায় যাঁরাই নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাঁদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে। অনেক কষ্ট করতে হবে। সবকিছু মিলিয়ে একজন ক্যারিশমেটিক রাষ্ট্রদূত আমরা এবার পেয়েছি। তাঁর সাহায্য ও সহযোগিতায় আমরা নতুন একটি স্কুল ভবন তৈরি করতে সক্ষম হব। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বেলা ১১টায় ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং ওমানের আবাসন ও নগর পরিকল্পনামন্ত্রী খালফান বিন সাইদ বিন মুবারক আল-শুইলির মধ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ স্কুল, মাস্কাটের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বিবেচনায় এবং নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য আগের বরাদ্দ করা জমির তুলনায় বড় আয়তনের এবং উপযুক্ত স্থানে একটি জমি বরাদ্দের জন্য অনুরোধ করেন। মন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে স্কুলের জন্য বোশার এলাকায় আল আনসাব, ৯০৭৯ বর্গ মিটারের একটি প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে স্কুল গড়ে তোলা অসম্ভব হবে না।
পাঁচজন মিলেমিশে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করে স্কুল পরিচালনা করতে হবে।
ওমানের শিক্ষামন্ত্রী অনেক কারণে বিরক্ত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সময় শত শত অভিযোগ অনেক অভিভাবকেরা করে থাকেন। পাঁচজন নির্বাচিত হয়েও অতীতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে মতের অমিল চরমে পৌঁছে যার পরিণতি ভালো হয় না।
বাংলাদেশ দূতাবাসে নতুন রাষ্ট্রদূত আসার পর অভিভাবকেরা বাংলাদেশ স্কুল নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে। আমাদের নতুন রাষ্ট্রদূত ওমানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইতিমধ্যে অনেকবার সাক্ষাৎ করেছেন।



