
সাড়ে তিন মাস ধরে এখনও একই জিনিস তাড়া করে চলেছে এনজো ফের্নান্দেজকে। বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চে লাল কার্ড, যার ঠিক কিছু সময় পরই গোল হজম করে ম্যাচে হার। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে সেই হার আর্জেন্টিনার। ম্যাচে শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন। বিষয়টি এখনও যন্ত্রণা দিচ্ছে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে।
আর্জেন্টিনায় এক পডকাস্টে এসেছিলেন এনজো। কথা বলেন বিশ্বকাপ ফাইনাল লাল কার্ড নিয়ে। বলেছেন, ‘অবশ্যই, মাঠ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার বিষয়টি আমাকে কষ্ট দেয়। কোন খেলোয়াড়ই মাঠ থেকে লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যেতে চায় না, বিশেষ করে বিশ্বকাপের ফাইনালে তো নয়ই। এটি খুব যন্ত্রণাদায়ক ছিল। সময়ের সাথে সাথে বিষয়টি মেনে নিলেও এমন অভিজ্ঞতা কখনোই চাইনি। তবে ফুটবলের অংশ হিসেবেই তা গ্রহণ করতে হয়। সেই লাল কার্ডের ঘটনাটি এখনও আমাকে পীড়া দেয়।’
‘আমার মা-বাবা ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন ফাইনালে আসলে কী ঘটেছিল। আসলে কিছুই ঘটেনি। যা কিছু শোনা গিয়েছিল, তার সবই ছিল মিথ্যা ও বানোয়াট। স্পেন আমাদের হারিয়েছে, তাই তাদের অভিনন্দন জানানোই উচিত।’
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গে সামান্য সংঘর্ষের পর এনজো মাটিতে পড়ে যান, কিন্তু রেফারি কোন ফাউলের বাঁশি না বাজানোয় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে চিৎকার করেন ও নানান অঙ্গভঙ্গি করেন। এরপর ব্যঙ্গাত্মকভাবে হাততালিও দেন। ফলে তাকে প্রথম হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ৯০ মিনিট শেষে যোগ সময় তিনি দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি দেখেন, এবং এর ফলে লাল কার্ড পান। কারণ ছিল স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে পায়ে আঘাত করা। ম্যাচ অতিরিক্ত সময় গড়ালে, ১০৬ মিনিটে ফেররান তরেসের একমাত্র গোলে জয় পায় স্পেন।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…

