তিনমাসে সুপ্রিম কোর্ট ‘হেল্পলাইনে’ হাজার কল

তিনমাসে সুপ্রিম কোর্ট ‘হেল্পলাইনে’ হাজার কল

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

বিচারপ্রার্থী বা সেবাগ্রহীতাকে সহযোগিতা দিতে সুপ্রিম কোর্ট কোর্ট ‘হেল্পলাইন নাম্বার’ চালুর পর গত তিন মাসে সারা দেশ থেকে হাজারের বেশি কল এসেছে। এসব ফোন কলের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ, অভিযোগ দাখিল এবং মামলার তথ্য দিয়ে বহুমাত্রিক সহযোগিতা করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘হেল্পলাইন সেবা চালু হওয়ার পর সারা দেশ থেকে এ পর্যন্ত আইনি পরামর্শ, অভিযোগ দাখিল ও মামলা সম্পর্কিত মোট এক হাজার ৩টি কল আসে। এর মধ্যে ৬০৪টি কল ছিল আইন পরামর্শ এবং সেবা চেয়ে। ৩৪৪টি কল আসে মামলার তথ্য জানতে চেয়ে। আর বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ, কাজে অবহেলা, সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব ও অসদাচরণের অভিযোগ জানাতে কল আসে ৫৫টি। এই ৫৫টি অভিযোগের মধ্যে বিলম্বে আইনি সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল ২২টি। বাকি ৩৩টি অভিযোগ ছিল বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ, কাজে অবহেলার। এই ৩৩টি অভিযোগের মধ্যে ১২টি অভিযোগ বিভিন্ন জেলা আদালতের বিচারকদের বিরুদ্ধে, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ৩টি, জেলা আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ১২টি এবং ৬টি অভিযোগ আইনজীবীদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

বিচারপ্রার্থী বা সেবাগ্রহীতাকে সহযোগিতা দিতে তিনমাস আগে হেল্পলাইন নাম্বার (+88 01316154216) চালু করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি হেল্পলাইন সার্ভিসটি পরিচালনা করছেন। সরকারি ছুটির দিন বাদে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই হেল্পলাইন সার্ভিস চালু থাকে।

GOVT

সর্বোচ্চ আদালতে বিচারিক সেবার মান উন্নয়নে এবং সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ একগুচ্ছ নির্দেশনা দেন। যেখানে বলা হয়, যদি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী আচরণবিধি ও নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সেবা গ্রহীতাকে হয়রানি করেন বা আর্থিক লেনদেন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে আচরণবিধি মামনতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অহেতুক বিলম্ব করা যাবে না। সেবাগ্রহীতাকে কোনো রকম হয়রানী না করে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে।

Shoroter Joba

Scroll to Top