টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতে মিশরের ইতিহাস | চ্যানেল আই অনলাইন

টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতে মিশরের ইতিহাস | চ্যানেল আই অনলাইন

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে দারুণ এক লড়াই শেষে টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মিশর। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে। সেখানেই স্নায়ুর লড়াইয়ে এগিয়ে থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম জয় তুলে নেয় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

ডালাসে শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর, টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জিতেছে মিশর। জয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল মিশর। ১৯৩৪ সালের আসরে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। দীর্ঘ ৯২ বছর পর আবার নকআউট পর্বে ফিরে এসে এবার প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ পেল মিশর।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মিশর। এর ফলও পেয়ে যায় ১৩ মিনিটে। ফ্রি-কিক থেকে নেয়া পরিকল্পিত আক্রমণে মোহাম্মেদ সালাহ বল বাড়িয়ে দেন ইমাম আশুরের উদ্দেশে। প্রথম প্রচেষ্টা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে এলেও দ্বিতীয় সুযোগটি কাজে লাগিয়ে হেডে বল জালে পাঠান আশুর। তাতেই এগিয়ে যায় মিশর।

প্রথমার্ধে ১-০তে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আফ্রিকার দলটি। তবে বিরতির পর ম্যাচে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। ৫৫ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আসা বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ভুল করেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তাতে নিজেদের জালে বল জড়ালে ১-১ গোলে সমতায় ফিরে অস্ট্রেলিয়া।

এরপর অবশ্য দুদলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও উভয় দল বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মেলেনি। ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে শুরু থেকেই ছন্দ হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম শটেই হ্যারি সটারের নেয়া কিক ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। অন্যদিকে মিশরের হয়ে একে একে মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া, সালাহ ও আবদেল মাগিদ চারজনই সফলভাবে স্পট কিক থেকে গোল করেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জ্যাকসন আরভিন ও আওয়ার মাবিল গোল করলেও চতুর্থ শটে লুকাস হ্যারিংটনের প্রচেষ্টা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এতে পঞ্চম শট নেয়ার আর প্রয়োজন হয়নি। ৪-২ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করে মিশর।

Scroll to Top