বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) একজন কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের সরবরাহ আরও কমায় মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। রান্না করতে অনেকেই বিদ্যুৎ–চালিত চুলার দিকে ঝুঁকছেন। এতে বিদ্যুৎ চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন বৃষ্টি থাকায় চাহিদা কিছুটা নিয়ন্ত্রিত। না হলে আরও বেশি লোডশেডিং করতে হতো। বেশি খরচের তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সামাল দেওয়া হচ্ছে। আর বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে পিডিবির টিকে থাকা কঠিন হবে।
পিডিবি বলছে, বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে ২০ কোটি ঘনফুটের বেশি। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি। গত বুধবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি। গতকাল দিনের বেলায়ও লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট। তবে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে ঢাকার বাইরে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
শিল্পমালিকেরা বলছেন, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ভালুকা এলাকার অধিকাংশ শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ নেই বললেই চলে। কোনো কোনো কারখানা উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। আর কোনো কোনোটি ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন করছে। গ্যাসের পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি শুরু হয়েছে। বিকল্প হিসেবে কেউ কেউ ডিজেল ব্যবহার করছেন। কেউ কেউ ঝুঁকছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে।



