ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণ বলছে, সাইবার অপরাধীরা ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এসব ডোমেইনে ভুয়া বা ইনজেক্টেড ওয়েবপেজ ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এসব পেজকে বলা হয় ‘ডোরওয়ে পেজ’। ব্যবহারকারী যখন এতে ক্লিক করেন, তখন তাঁকে রিডিরেক্ট করে নিয়ে যাওয়া হয় জুয়া বা পর্নোগ্রাফি সাইটে। অনেক ক্ষেত্রে এসব লিংকে পর্নোগ্রাফিক থাম্বনেইল ব্যবহার করা হয়।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আশরাফুল হক ডিসমিসল্যাবকে বলেন, এগুলো সাইটে অননুমোদিতভাবে ঢোকানো ক্ষতিকর লিংক। বৈধ ডোমেইনের আড়ালে স্প্যামাররা কনটেন্ট লুকিয়ে ফেলে, যা ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) অপব্যবহার করে কোনো ওয়েবসাইট বা এ ধরনের কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে (গুগল) ওপরে আনা হয়েছে। সুপরিচিত ডোমেইনে এ ধরনের লিংক হোস্ট করার মানে হচ্ছে, তাদের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোতে দুর্বলতা আছে।
ডিসমিসল্যাব বলছে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এসব চিহ্নিত ভিডিও লিংকে আসল কনটেন্ট থাকে না। এসব লিংক ব্যবহারকারীদের অন্য পর্নোগ্রাফি বা জুয়ার ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। যেমন এমআইটির ডোমেইনের একটি পেজে আসামের ওই তরুণীর ভাইরাল ভিডিওর কথা লেখা থাকলেও তা ক্লিক করলে রিডিরেক্ট হয়ে একটি জুয়ার সাইটে নিয়ে যায়।
এ ধরনের লিংকগুলো বিশ্লেষণ করে ডিসমিসল্যাব বলেছে, এভাবে রিডিরেক্ট চেইন ব্যবহার করে অর্থ আয় করা হচ্ছে।



