‘গ্রেটার ইসরায়েল’ মানে কেবল কাঁটাতারের বেড়া বৃদ্ধি নয়, বরং এমন এক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যেকোনো প্রতিবেশীর সীমানায় অবাধে অনুপ্রবেশ ও অপারেশন চালাতে পারবে।
১৯৪৭ সাল থেকে ফিলিস্তিনিদের ওপর, ২০২৪-এ লেবাননে এবং সম্প্রতি সিরিয়ার অস্থিরতাকে পুঁজি করে ইসরায়েল যা করছে, তার মূল কথা হলো ‘একতরফা সামরিক ক্ষমতা প্রয়োগের বৈধতা’।
ইসরায়েল এখন তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে লোহিত সাগর হয়ে আফ্রিকার সোমালিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত করতে চায়। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে আসা এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর ‘নরমালাইজেশন’ বা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি চাপিয়ে দেওয়ার পেছনেও রয়েছে সেই কৌশল।
তারা চায় এমন এক আঞ্চলিক নিরাপত্তাবলয়, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোয় তাদের নিজস্ব বা যৌথ ঘাঁটি থাকবে। যার মাধ্যমে তারা প্রয়োজনে যেকোনো দেশে আগাম আক্রমণ চালিয়ে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে। ঠিক যেমনটা তারা মিসরের সঙ্গে কাম্প ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে করে রেখেছে।



