ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সময় এর যৌক্তিকতা তুলে ধরতে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প উভয়েই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং তেহরান–সমর্থিত আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সমর্থন আটকানোর কথা বলেছিলেন। চুক্তি নিয়ে সামনের আলোচনায় এ বিষয়গুলো অ্যাজেন্ডা হিসেবে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে না।
তিনজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েলের ধারণা, ৬০ দিনের এ অন্তর্বর্তী চুক্তির সময় খুব সম্ভবত ৯০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হবে।
এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তৃত চুক্তির দিকে এগিয়ে যাবে এবং এ অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে।
আরও দুজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন প্রথম জানান, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, ইসরায়েল এ খবরে পুরোপুরি বিস্মিত হয়েছিল। তাঁরা স্বীকার করেন, ইসরায়েল আলোচনার ওপর প্রভাব ফেলতে খুব একটা সফল হয়নি।
ইসরায়েলের এসব কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন। কারণ, তাঁদের প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি নেই।
নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি জনগণের সামনে নিজেকে রিপাবলিকান ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে বিশেষভাবে দক্ষ একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন।



