এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কোরবানির ঈদের পর এ বিষয়ে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি নিজে এক মাসে ১২ থেকে ১৪টি জেলা পরিদর্শন করেছেন। তাঁর দাবি, কর্মসূচির শুরুর দিকে যে দুর্বলতাগুলো ছিল, সেগুলো এখন প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে এসেছে।
আগামী বছর সারা দেশের বিদ্যালয়ে কর্মসূচিটি চালু হলে খাবারের ধরনে কোনো পরিবর্তন আনা হবে কি না, জানতে চাইলে ববি হাজ্জাজ বলেন, অনেক বিশেষজ্ঞ কাজ করে খাবারের ধরন নির্ধারণ করেছেন। তবে পুষ্টিমান একই রেখে অন্য কোনো ধরনের খাবার দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে ১৫০ উপজেলায় বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির ৩ বছরের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদায়ী অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৯২ কোটি টাকা। এখন আরও ৩৪৮ উপজেলায়, অর্থাৎ সারা দেশে কর্মসূচি চালু করা হলে মোট ব্যয় প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।