অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় নয়

অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় নয়

প্রথম আলো প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ও পুলিশ সদর দপ্তরের বরাত দিয়েই লিখেছে, ‘চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে খুনের ঘটনা। জানুয়ারিতে সারা দেশে খুনের মামলা হয় ২৯৪টি, জুনে হয়েছে ৩৪৪টি। গত ছয় মাসে ডাকাতি, দস্যুতা, ধর্ষণ ও পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনায় মামলা কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে।’

প্রেস উইং বলেছে, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি বছরে অপরাধ বেড়েছে, যা নাগরিকদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। অতীতে রাজনৈতিক সরকারগুলো যেমন সব দোষ নন্দ ঘোষ গণমাধ্যমের ওপর চাপিয়ে দিত, প্রেস উইংও কিছুটা নম্র ভাষায় সেটাই বলার চেষ্টা করছে। সংবাদমাধ্যমে অপরাধের খবর প্রকাশের কারণে যদি নাগরিকদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়, তাহলে কি অপরাধের খবর চেপে যাবে?

সম্প্রতি পুরান ঢাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও ইট-পাথরের খণ্ড দিয়ে থেঁতলে হত্যা করার ঘটনাই বড় ধরনের অপরাধের একমাত্র উদাহরণ নয়। কাছাকাছি সময় খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করে মোটরসাইকেলে আসা তিন যুবক চলে যায়। পুলিশ এখনো তাঁদের নাগাল পায়নি। একই শহরে পুলিশ পরিচয়ে দুর্বৃত্তরা খাদ্য বিভাগের এক কর্মকর্তাকে অপহরণ করে ১৫ ঘণ্টা পর রাস্তার ওপর ফেলে রাখে, যিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। এগুলো কি বড় অপরাধের মধ্যে পড়ে না? খুলনায় যুবদল নেতা হত্যার সঙ্গে চরমপন্থীদের যুক্ত থাকার খবরটি আরও শঙ্কিত করে।

Scroll to Top