Talpatar Pakha: এসি, ফ্যানের সঙ্গে আজও মানুষ কিনছেন তালপাতার পাখা! বাংলার তপ্ত দিনের শীতল কথা জানলে চমকে যাবেন

Talpatar Pakha: এসি, ফ্যানের সঙ্গে আজও মানুষ কিনছেন তালপাতার পাখা! বাংলার তপ্ত দিনের শীতল কথা জানলে চমকে যাবেন

Last Updated:

Talpatar Pakha:একবিংশ শতকের শুরুতেও গরমকালে গৃহস্থ বাড়িতে গেলে তালপাতার হাতপাখার দেখা পাওয়া যেত৷ লোডশেডিং হলেই বেরিয়ে পড়ত তালপাতা দিয়ে তৈরি নানান কারুকার্য করা হাতপাখা৷

X

Talpatar Pakha: এসি, ফ্যানের সঙ্গে আজও মানুষ কিনছেন তালপাতার পাখা! বাংলার তপ্ত দিনের শীতল কথা জানলে চমকে যাবেন

গরম থেকে স্বস্তি মিলতে হাত পাখার ব্যবহার

কৌশিক অধিকারী,মুর্শিদাবাদ: তীব্র গরমে নাজেহাল এখন সকলেই। তবে বর্তমানে ফ্যান ব্যবহার করলেও লাগবে না ফ্যান। তালপাতার পাখা ব্যবহার করলেই মিলবে স্বস্তি। বাংলার ঐতিহ্যবাহী তালপাতার পাখা আজ বিলুপ্তির পথে। সেভাবে আর দেখা যায় না তালপাতার তৈরি হাতপাখা। শৈশবের একটা মস্ত বড় স্মৃতি তালপাতার হাতপাখা। পুরানো সেই দিনের এই হাত পাখার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা নস্টালজিয়া। গ্রামবাংলায় আজও প্রচলিত কথা– শীতের কাঁথা, বর্ষার ছাতা আর গরমের পাখা। বাঙালির এই তিনটে জিনিস ছিল চিরকালের সম্বল। এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনধারায় অনেক পরিবর্তন এসেছে, কমেছে হাতপাখার প্রচলন। ফলে, চিন্তার ভাঁজ পাখা তৈরি শিল্পীদের মধ্যে। মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গায় এখন বিক্রি হচ্ছে এই তালপাতার পাখা।

একবিংশ শতকের শুরুতেও গরমকালে গৃহস্থ বাড়িতে গেলে তালপাতার হাতপাখার দেখা পাওয়া যেত৷ লোডশেডিং হলেই বেরিয়ে পড়ত তালপাতা দিয়ে তৈরি নানান কারুকার্য করা হাতপাখা৷ গ্রাম বাংলা তো বটেই এমনকি মফঃস্বল ও শহরেও দেখা যেত এই পাখা৷ কিন্তু, সময় যত এগিয়েছে, তত উন্নত হয়েছে প্রযুক্তি৷ গ্রামেগঞ্জে পৌঁছে গিয়েছে বিদ্যুৎ ৷ এমনকি লোডশেডিংও আর তেমন হয় না৷ আর হলেও প্রযুক্তি তারও সমাধান বের করে ফেলেছে৷ লোডশেডিংয়ের সময় ইনভার্টারে বাড়ির পাখা-লাইট সব চালানো যায়৷ আবার প্লাস্টিক আর এভাবেই ক্রমশ বিলুপ্তির পথে তালপাতার তৈরি হাতপাখা৷

মানুষ এখন প্রযুক্তির সঙ্গে তালে তাল মিলিয়েছে। প্রযুক্তির উত্থানেই বিলুপ্তির পথে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প। আগে বৈশাখ মাস পড়তে না পড়তেই বাড়িতে-বাড়িতে চোখে পড়ত নানা নকশার তালপাতার হাতপাখা। হাতপাখার নরম হাওয়া খেতে খেতেই চলত আড্ডা। আজ আর সেই দিন নেই। আজ একটা সুইচ টিপলেই মাথার উপরে বনবন করে ঘুরছে বৈদ্যুতিক পাখা। বর্তমানে অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছে এসি। তালপাতার হাতপাখার আর কদর নেই। মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্রাম, কান্দি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার তালপাতার শিল্পীরা আজ সংকটে। আগের মত আর সেভাবে বিক্রি হয় না তালপাতার পাখা।

আরও পড়ুন : ঘামে ভিজে জবজবে হয় শরীর কোন ভিটামিনের অভাবে? বিকট গন্ধে গুলিয়ে ওঠে গা? জানুন ঘেমো দুর্গন্ধ থেকে বাঁচবেন কী করে

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তীব্র গরম হলেও ২০ টাকা প্রতি পিস হিসেবে এই তালপাতার হাতপাখা বিক্রি হয় বাজারে। যার চাহিদা থাকে গরমের সময় মাঝে মধ্যেই। চিকিৎসক সুনীলমোহন দাস জানিয়েছেন, গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হাত পাখার ব্যবহার, ফ্যান এগুলোর মধ্যে  থাকা উচিৎ উচিৎ। তাহলে শরীর ভাল থাকবে।

বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/

Talpatar Pakha: এসি, ফ্যানের সঙ্গে আজও মানুষ কিনছেন তালপাতার পাখা! বাংলার তপ্ত দিনের শীতল কথা জানলে চমকে যাবেন

Next Article

East Medinipur News: বাংলার বধূদের চিরাচরিত একান্ত মা লক্ষ্মীর সঞ্চয়পাত্র চিত্রিত করে লক্ষ্মীলাভ পটুয়াদের

Scroll to Top