Post Office Fixed deposit: পোস্ট অফিসে ১২ লাখ টাকা রেখেছিল পরিবার! তুলতে গিয়েই ঘুম উড়ল সকলের, সাবধান

Post Office Fixed deposit: পোস্ট অফিসে ১২ লাখ টাকা রেখেছিল পরিবার! তুলতে গিয়েই ঘুম উড়ল সকলের, সাবধান

Last Updated:

Post Office Fixed deposit: পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর উপ-ডাকঘরের আমানতকারীদের লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা কাণ্ডে এবার সিআইডির হাতে গ্রেফতার হল তৎকালীন পোস্ট মাস্টারকে। ধৃতের নাম বিদ্যুৎ সুর।

ভয়ঙ্কর ঘটনাPost Office Fixed deposit: পোস্ট অফিসে ১২ লাখ টাকা রেখেছিল পরিবার! তুলতে গিয়েই ঘুম উড়ল সকলের, সাবধান
ভয়ঙ্কর ঘটনা

পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর উপ-ডাকঘরের আমানতকারীদের লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা কাণ্ডে এবার সিআইডির হাতে গ্রেফতার হল তৎকালীন পোস্ট মাস্টারকে। ধৃতের নাম বিদ্যুৎ সুর। রবিবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমান জেলার মাধবডিহি থানার বুলচন্দ্রপুরে তার বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ সুরকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

সিআইডি অফিসারদের একটি দল রবিবার বিকালে বিদ্যুৎ সুরের বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে কলকাতার ভবানী ভবনে নিয়ে যায়। সোমবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হবে বলে সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জামালপুর উপ-ডাকঘরে সঞ্চয়ের টাকা গচ্ছিত রেখে প্রতারিত হওয়া পরিবারটি জামালপুর হটতলা এলাকার বাসিন্দা। পাল পরিবারের বক্তব্য, তাঁদের পরিবারের সকলেই পরিশ্রম করে রোজগার করা অর্থ থেকে কিছু কিছু করে জমিয়ে রাখতেন। জমানো অর্থ জামালপুর সাব-পোস্ট অফিসে গচ্ছিত রাখার জন্য সুরজিৎ পাল এবং তাঁর বাবা, মা, দিদি ও জামাইবাবু আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট খোলেন। ২০২১ সালে ১ বছরের ’ফিক্সড ডিপোজিট’ স্কিমে তারা নিজের নিজের অর্থ অ্যাকাউন্টে জমা করেন। তাঁদের সবার মিলিয়ে জমা করা টাকার পরিমাণ ১২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। তদানীন্তন জামালপুর সাব-পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার বিদ্যুৎ সুর ওই টাকা গ্রহণ করে নিয়ে শীল স্ট্যাম্প দিয়ে তাদের সবার অ্যাকাউন্ট বই ইস্যু করে দেন।

ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদ ১ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সুরজিৎতের মা রাধারাণী দেবী। তাঁকে চিকিৎসার জন্য কলকাতা সহ ভিন রাজ্যের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। তখন টাকার খুব প্রয়োজন হয়ে পড়লে পাল পরিবারের সদস্যরা অগ্রিম ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্য জামালপুর সাব পোস্ট অফিসে যান। তখনই পোস্ট মাস্টারের কথা শুনে তাঁদের মাথায় হাত পড়ে যায়। তারা বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। এরপর টাকা ফেরত না পেয়ে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয়। তৎকালীন পোস্ট মাস্টার গ্রেফতারের পর পরিবারের প্রতিক্রিয়া, আদালত ও সিআইডির ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে।

Scroll to Top