
এই নারীরা নিজেরাই সুন্দরবনের বিভিন্ন খাঁড়ি ও বাদাবন থেকে ম্যানগ্রোভের বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর সেগুলি বাড়িতে এনে যত্নসহকারে ম্যানগ্রোভের চারা তৈরি করেন। বাড়ির উঠোনেই গড়ে তোলেন ছোট ছোট নার্সারি, যেখানে ধীরে ধীরে গজিয়ে ওঠে হাজারও চারা গাছ। গরান, কেওড়া, হেতাল, কাকড়া, সুন্দরী- এমন নানা প্রজাতির ম্যানগ্রোভ গাছ তাঁদের হাতে নতুন জীবন পায়।


