Bratya Basu: শিল্পী বয়কট নিয়ে তৃণমূলেই দুই মত? জোর বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন ব্রাত্য

Bratya Basu: শিল্পী বয়কট নিয়ে তৃণমূলেই দুই মত? জোর বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন ব্রাত্য

Bratya Basu: শিল্পী বয়কট নিয়ে তৃণমূলেই দুই মত? জোর বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন ব্রাত্য

Last Updated:

আরজি কর কাণ্ডের সময় যে শিল্পীরা মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূলকে কুরুচিকর আক্রমণ করেছেন, তাঁদের বয়কটের পক্ষে সওয়াল করেন কুণাল ঘোষ৷

শিল্পী বয়কট বিতর্কে এবার মুখ খুললেন ব্রাত্য বসু৷

কলকাতা: তৃণমূলের অন্দরে শিল্পী বয়কট বিতর্কে এবার মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু৷ শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানালেন এ বিষয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই তাঁর মত৷ একই সঙ্গে নিজের শিল্পী সত্ত্বা থেকেও এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, সরকার অথবা রাষ্ট্রের বিরোধিতা করে সেই সরকারের থেকেই অনুদান অথবা অনুষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া আশা করা অনুচিত বলেই মনে করেন তিনি৷

আরজি কর কাণ্ডের সময় যে শিল্পীরা মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূলকে কুরুচিকর আক্রমণ করেছেন, তাঁদের বয়কটের পক্ষে সওয়াল করেন কুণাল ঘোষ৷ যদিও গতকালই তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, কোনও শিল্পীকে বয়কটের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন না তিনি৷ এ রকম কোনও নির্দেশ দল দেয়নি বলেও জানিয়ে দেন তিনি৷

আরও পড়ুন: এবার সাজা ঘোষণার পালা, সঞ্জয়ের কী শাস্তি চাইল সিবিআই? শেষ দিনে আদালতে মরিয়া সওয়াল

অভিষেকের এই মন্তব্যের পরও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন কুণাল৷ উল্টে তিনি দাবি করেন, কোন কোন শিল্পীকে অনুষ্ঠান করতে ডাকা যাবে না, দলের তরফে সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে৷ শিক্ষামন্ত্রী এবং নাট্যকার ব্রাত্য বসুও সেরকম নির্দেশ পেয়েছেন বলে দাবি করেন কুণাল৷

এই বিতর্কে মুখ খুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমার দলীয় বিষয়ে আমি মুখ খুলতে বাধ্য নই। আমি দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলি। এটা শুনতে গড়পড়তা বা ক্লিশে লাগতে পারে শুনতে। আমার নেত্রীর মত মানে আমার মত। এ নিয়ে দলে দু রকম মত আছে৷ আমাদের তো রেজিমেন্টেড পার্টি নয়৷ তাই সবাই সবার মতো করে মতামত জানাতে পারেন৷ পদমর্যাদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমার থেকে উঁচুতে৷ আবার কুণাল ঘোষও তাঁর মত জানিয়েছেন৷ এখন কে ঠিক, কে ভুল তার উত্তর আমি দিতে পারব না৷ আমি একটি উত্তরই দিতে পারি, এ বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তই আমার কাছে চূড়ান্ত৷’

যদিও শিল্পী হিসেবে এই বিতর্কে তাঁর কী মত, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন ব্রাত্য বসু৷ তিনি বলেন, ‘যাঁরা দিনের পর দিন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের বিরুদ্ধে বলল তাঁরা সরকারি অনুষ্ঠান করবেন কি করবেন না, সেটা তাঁদের জিজ্ঞেস করেছেন? বাম আমলে আমার একাধিক থিয়েটারের উপর ফতোয়া জারি হয়েছে৷ এমনও হয়েছে একসঙ্গে আমার তিনটে নাটক বন্ধ করা হয়েছে৷ আমি তো এরপর অনুদান আশা করিনি৷ আমি এটাও মনে করি যে বামফ্রন্ট সরকার যা করেছে ঠিকই করেছে৷ বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর আমার নাটকের দল কালিন্দী ব্রাত্যজন কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০টি মোটা অঙ্কের অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছে৷ কারণ আমি নিজে রাজনৈতিক ভাবে বিজেপি-র বিরোধী৷ আমাকে কেন্দ্রীয় স্তরে শো’তে ডাকা হয় না। আমি তো তা নিয়ে কাঁদুনি গাইনি। আমি রাষ্ট্রের বিরোধিতা করব, আবার সেই সরকারের থেকেই শো চাইতে যাব, অনুদান আশা করব, এটা হতে পারে না৷’

Scroll to Top