স্কট ক্রিলের মতে, চোরাশিকার শুধু বন্য কুকুরের জীবনই বিপন্ন করছে না, তাদের খাবারের উৎসও কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে খাবারের সন্ধানে তাদের আরও দূরে যেতে হচ্ছে। এতে ফাঁদে আটকা পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।
তবে শুধু আইন প্রয়োগ করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন ক্রিল। তাঁর ভাষায়, মানুষ শখ করে ফাঁদ পাতে না। দীর্ঘ মাটির রাস্তার শেষ প্রান্তে বসবাস করা দরিদ্র মানুষ জীবিকার অন্য সুযোগ না পেয়ে এমন কাজ করেন। তাই এমন ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তাঁদের ফাঁদ পাতার প্রয়োজনই না হয়।
মানুষের তৈরি পৃথিবীতে অন্য প্রাণীদের টিকে থাকার লড়াই যে কত কঠিন, তা এই তিন বন্য কুকুরের যাত্রা আবারও মনে করিয়ে দেয়। ক্রিল বলেন, ‘পৃথিবীতে আমরা ৮৩০ কোটি মানুষ বাস করি। কিন্তু আমাদের সঙ্গে আরও প্রায় ৮০ লাখ প্রজাতির প্রাণীও এই পৃথিবীকে ভাগ করে নিচ্ছে। তাদের টিকে থাকা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

