কিশোর গ্যাংয়ের ‘বড় ভাই’ বদলেছে, বেড়েছে উৎপাত

কিশোর গ্যাংয়ের ‘বড় ভাই’ বদলেছে, বেড়েছে উৎপাত

মুরাদ একা নন। পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক সূত্রের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ আমলে বিভিন্ন নেতার আশ্রয়ে থাকা কিশোর গ্যাংয়ের কিছু নেতা-সদস্য এখন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতা-কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করেছেন।

পুলিশের ভাষ্য, নগরের অন্তত ৪৫টি এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শহরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে ১১টি গ্যাংয়ের নাম সবচেয়ে বেশি এসেছে। সেগুলো হলো মুরাদপুর এলাকার এমবিএস (মোহাম্মদপুর বয়েজ সিন্ডিকেট), পাঁচলাইশের কেবি (খতিবের হাট), এনএস (নাজিরপাড়া), ৯৯৯, এক্স-মার্ক, ব্যাকহোল, ডট গ্যাং, বিঙ্গু, পাইথন, সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টার।

গত সপ্তাহেও মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে নগরের দুই এলাকায় কিশোর গ্যাংকে ঘিরে গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটে। গত মঙ্গলবার খুলশীর পাহাড়তলী ওয়্যারলেস কলোনিতে ‘ফাইভ স্টার’ ও ‘সেভেন স্টার’ গ্যাংয়ের বিরোধে খুন হয় ১৬ বছরের মো. হৃদয়। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বাবার সঙ্গে ফুটপাতে সবজি বিক্রি করত সে।

পুলিশের হিসাবে, গত সাড়ে সাত বছরে চট্টগ্রাম নগরে অন্তত ৬৩৫টি অপরাধে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে খুনের ঘটনাই ৩৯টি।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার (সিএমপি) হাসান মো. শওকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের একার পক্ষে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। রাজনৈতিক নেতাদেরও কিশোর গ্যাং সদস্যদের কাছে ভিড়তে দেওয়া উচিত নয়।

Scroll to Top