‘শাটডাউন’ কর্মসূচিতে স্থবির চুয়েট, ‘উপাচার্যকে কেন অপসারণ’, ব্যাখ্যা চান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার ও সিফাত-এ নূর-সাবিহা। লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ‘কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরা মেনে নিতে পারছেন না। আমাদের আপত্তি সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়, আমাদের আপত্তি হলো, অধ্যাপক সায়েম স্যারকে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় কোনো দৃশ্যমান ব্যাখ্যা ছাড়াই পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। আমরা জানতে চাই, উপাচার্যকে কেন অপসারণ করা হলো।’

এক প্রশ্নের জবাবে আহনাফ শাহরিয়ার বলেন, ‘আমরা উপাচার্য হিসেবে সায়েম স্যারকেই চাই। এই দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। তবে নিরাপত্তা শাখা ও মেডিক্যাল সেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।’

চলতি বছর ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। গতকাল সোমবার তাঁকে সরিয়ে কুয়েটের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

Scroll to Top