অণুজীবের দ্রুত রূপ বদলানোর ক্ষমতা তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ে বেশ এগিয়ে রাখে। প্রকৃতিতে টিকে থাকার এই বিবর্তনীয় লড়াই বেশ পুরোনো। যখনই কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা হয়, পরজীবীরাও দ্রুত নিজেদের ঢাল তৈরি করে নেয়। মানবদেহে প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া সৃষ্টিকারী অণুজীবের ক্ষেত্রে ওষুধ প্রতিরোধের ক্ষমতা দিন দিন অবিশ্বাস্য রকম জটিল হয়ে উঠছে। ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক পরজীবী প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম। সাম্প্রতিক এক জিনগত গবেষণায় দেখা গেছে, এই পরজীবী বিভিন্ন প্রতিষেধকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একের পর এক জিন পরিবর্তন করছে।
ইথিওপিয়ার আরমাওয়ার হ্যানসেন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অলেমায়হু লেটেবো, যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের লিন এন ভ্যানহির এবং তাঁদের সহকর্মীরা নতুন এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন। গবেষণাপত্রটি বিখ্যাত ‘নেচার মাইক্রোবায়োলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, পুরোনো ও পরিত্যক্ত ওষুধের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা টিকে থাকার পাশাপাশি বর্তমানে ব্যবহৃত মূল ওষুধগুলোর বিরুদ্ধেও পরজীবীদের প্রতিরোধক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।